কথাটাতে কেমন যানি ছুটলুকি গন্ধ আছে তাই না?
পড়া লেখার জন্য মানুষ কী না করে!
সত্যি বলতে কী, এই পর্যন্ত পড়া লেখা করে কিছুই জানতে পারি নি। তবে একটা জিনিশ বেস ভাল করে জেনেছি।
আমরা যেটাকে পড়ালেখা বলি আর জ্ঞান অর্জন বলি, এটা আসলে কোনো পড়ালেখা না জ্ঞান অর্জনও না। সব ভোগাস। এর জন্য যা খর্চাপাতি ইনভেষ্ট করি তাও ভোগাস। সব ফালতু বেহুদা আজাইরা কাজ কারবার.........
কিছুদিন আগে একটি চাকরীর ইন্টার্ভিউতে অংস নিয়েছিলাম। সামনা সামনি কথা বার্থা চলছিল।
পরিক্ষক আমার যোগ্যতা সনদ দেখতে চাইলেন।
বিগত দিনের সকল যুগ্যতা সনদের ফাইলটা তার হাতে তুলে দেই।
অগুলো নারলেনও না, সোজা বলে দিলেন, শিক্ষা গত নয় আমি আপনার কাজের যোগ্যতা সনদ চাইছি।
মনটা ভেঙ্গে গেলো। ১৭ ১৮ বছরের অর্জিত যুজ্ঞতা তাহলে কোন কাজে আসল? ইচ্ছা হচ্ছিল সার্টিফিকিট নামক ঐ কাগজ গুলো ধুমরে মুচরে ডাষ্টবিনে ফেলে দেই। কিন্তু তা আর পারলাম কই? এই কাগজ গুলোর জন্যতো টাকা ইনভেষ্ট করতে হয়েছে, অনেক টাকা।
টাকা দিয়ে যুগ্যতা নয়, কাগজ কিনেছি।
এখন কেউ যদি পড়া লেখা সম্পর্কে কী করবে পরামর্স চায়, সোজা বলি অসব ছেড়ে কাজে লাগো। যেকোনো একটা কাজ। কাওকে পড়া লেখা থেকে ফিরাতে পারলে খুব ভালো লাগে। নিজেকে দায় মুক্ত মনে হয়।
ছুট ছুট বাচ্ছা গুলো কাদে ব্যগ ঝুলিয়ে স্কুলে যায়। অদের দেখি আর আফসুস করি।বাবা মারা কি জন্য কছি বাচ্ছা গুলোকে এই অনিশ্চিত পথে ঠেলে দিল।
কি আছে এই যাত্রায়? সেইতো গাধার খাটুনি। একবোঝা বই কাদে নিয়ে, না হলে ফাইল বন্দি সার্টিফিকিট বগলে নিয়ে !
29 December 2014 তারিখের facebook ষ্টাটাস।।